উত্তরাখণ্ড রাজ্যের কুমায়ুন অঞ্চলের আলমোড়া জেলার একটি ছোটো শহর দ্বারহাট। এর গড় উচ্চতা ৫০০০ ফুট (১৫০০ মিটার)। এখানে সারা বছরই ঠাণ্ডা, বিশেষত শীতের মাসেতে (নভেম্বর-ফেব্রুয়ারি), আবহাওয়া বেশ ঠাণ্ডা থাকে।
ওয়াইএসএস আশ্রমটি দ্বারহাট শহর থেকে প্রায় ১.৫ কি.মি. দূরে অবস্থিত এবং চারিদিকে পাইন বন দিয়ে ঘেরা। শহর থেকে আশ্রমে আসার পথে ডানদিকে পড়ে গভর্নমেন্ট রেস্ট হাউস, যেখানে শ্রী দয়ামাতাজি ১৯৬৩-৬৪ সালে বাবাজির গুহা পরিদর্শন করার সময় থেকে ছিলেন কারণ তখনও ওয়াইএসএস আশ্রম তৈরি হয়নি।
মহাবতার বাবাজির গুহা
গুহাটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব বুঝতে হলে ভক্তদের যোগী-কথামৃত বইটি থেকে ৩৪তম অধ্যায় “হিমালয়ে প্রাসাদ সৃষ্টি” এবং শ্রীশ্রী দয়ামাতা রচিত ওনলি লাভ থেকে “এ ব্লেসিং ফ্রম মহাবতার বাবাজি” অধ্যায়টি পড়তে হবে।
বাবাজির গুহা অঞ্চলটি সেই স্থান যেখানে বাবাজি ১৮৬১-তে লাহিড়ী মহাশয়কে দীক্ষা দিয়েছিলেন এবং সেই থেকে দ্বাপর যুগে ক্রিয়া যোগের জন্ম। বিশ্বের সমস্ত ক্রিয়াবান ভক্ত এই ঘটনাটির সঙ্গে তাদের গুরু পরম্পরার নিদর্শনকে যুক্ত করতে পারবেন। (২০১১ – ক্রিয়া যোগের ১৫০ তম বার্ষিকী)
গুহাটি কুকুচিনা গ্রামের বাইরে (দ্বারহাট থেকে ২৫ কি.মি. দূরে) পান্ডুখোলি পর্বতে অবস্থিত।
গুহায় যাওয়ার পাহাড়ি পথটি সংস্কার করা হয়েছে। গুহা পর্যন্ত উঠতে সাধারণ মানুষের প্রায় এক ঘণ্টা সময় লাগে। বৃষ্টির সময় পথ চলাকালীন কয়েকটি ঝর্ণা দেখা যায় যা যোগী-কথামৃততে উল্লিখিত গোগাশ নদীতে গিয়ে মেশে।
আশ্রম থেকে গুহা পর্যন্ত যেতে আসতে প্রায় ছয় থেকে আট ঘণ্টা সময় লাগে।
আরও বিস্তারিত ভাবে জানার জন্য দ্বারহাট আশ্রমে যোগাযোগ করুন।
অনুষ্ঠান এবং কার্যক্রম
প্রতি বছর আশ্রম দ্বারা দুটি চিকিৎসা শিবির (এপ্রিল এবং নভেম্বর মাসে), মার্চ মাসে একটি সঞ্চালিত আধ্যাত্মিক নিভৃতাবাস, সেপ্টেম্বর ২৬ থেকে ৩০ পর্যন্ত ক্রিয়াযোগ দীক্ষা সহ একটি সাধনা সঙ্গম, ২৫শে জুলাই বাবাজির গুহা পর্যন্ত মহাবতার বাবাজি স্মৃতি দিবস শোভাযাত্রা, এবং গুরুদেবের জন্মদিন উপলক্ষ্যে জানুয়ারি ৫ তারিখ সকালে ওয়াইএসএস দ্বারহাট স্কুলের ছাত্র এবং ভক্তদের নিয়ে শহর পর্যন্ত একটি শোভাযাত্রা, সন্ধ্যায় স্থানীয় লোকদের নিয়ে আশ্রমে ভজন, এবং রাতে একটি স্মারক পরিষেবার আয়োজন করা হয়।
চিকিৎসক এবং ওয়াইএসএস স্বেচ্ছাসেবকরা চিকিৎসা শিবিরে অংশগ্রহণ করতে পারেন। আগ্রহী ভক্তগণ ফোন বা ইমেলের মাধ্যমে দ্বারহাট আশ্রমের ভারপ্রাপ্ত স্বামীজির সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
সাপ্তাহিক কার্যক্রম
- আমরা নিয়মিত ধ্যান ও সৎসঙ্গ প্রদান করি যা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। নীরব ধ্যান, ভক্তিগীতি এবং অনুপ্রেরণামূলক পাঠ পর্ব এইসব অধিবেশনের অন্তর্গত।
- রবিবার
- সকাল 10:30 – দুপুর 12:00
- রবিবারের সৎসঙ্গ (সংক্ষিপ্ত ধ্যান সহ)
- বিকাল 5:00 – রাত 8:00
- সান্ধ্যকালিন ধ্যান
- বৃহস্পতিবার
- সকাল 7:00 – সকাল 8:00
- প্রাতঃকালিন ধ্যান
- বিকাল 5:00 – রাত 8:00
- সান্ধ্যকালিন ধ্যান
- অন্যান্য দিন
- সকাল 7:00 – সকাল 8:00
- প্রাতঃকালিন ধ্যান
- বিকাল 5:30 – সন্ধ্যা 7:00
- সান্ধ্যকালিন ধ্যান
আগামি বিশিষ্ট ঘটনাবলি এবং দীর্ঘকালীন ধ্যান
- জানুয়ারি 3, শনিবার
- সকাল 10:00 – দুপুর 12:00
- সমবেত ধ্যান
- জানুয়ারি 5, সোমবার
- সকাল 6:30 – সকাল 8:30
- প্রাতঃকালিন ধ্যান
- বিকাল 4:30 – সন্ধ্যা 6:30
- সান্ধ্যকালিন ধ্যান
- জানুয়ারি 11, রবিবার
- সকাল 10:00 – বিকাল 4:00
- সমবেত ধ্যান
- ফেব্রুয়ারি 1, রবিবার
- সকাল 10:00 – বিকাল 4:00
- সমবেত ধ্যান
- ফেব্রুয়ারি 13, শুক্রবার – ফেব্রুয়ারি 15, রবিবার
আপনার সফরের পরিকল্পনা করুন
ওয়াইএসএস ও এসআরএফ পাঠমালার শিক্ষার্থীরা আশ্রমে পাঁচদিন পর্যন্ত থাকতে পারবেন। শক্তিসঞ্চারক ও পুনরুজ্জীবিতকরণে আমরা ভক্তদের ব্যক্তিগত বা পরিচালিত নিভৃতাবাসে যোগদান করতে উৎসাহ দিই। এই নিভৃতাবাসে থাকাকালীন আপনারা ওয়াইএসএস সন্ন্যাসী দ্বারা পরিচালিত সমবেত ধ্যানে দুবেলা অংশগ্রহণ করতে পারেন; যোগদা সৎসঙ্গ পাঠক্রমের অধ্যয়ন ও অভ্যাসের ব্যাপারে আধ্যাত্মিক পরামর্শ এবং নির্দেশনা পেতে পারেন।
আশ্রমে আবাসস্থানের জন্য অনুরোধ করতে দয়া করে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
















