যোগদা সৎসঙ্গ শাখা আশ্রম — নয়ডা

উত্তরপ্রদেশ

যোগদা সৎসঙ্গ শাখা আশ্রম – নয়ডা, এর প্রথম পর্যায়ের নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ার পর জানুয়ারি ২০১০-এ উদ্বোধন করা হয়। দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ সীমান্ত থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটার দূরে ৫ একর জমির ওপর এটি স্থাপিত, এখানে একটি প্রশাসনিক ভবন এবং দুটি নিভৃতাবাস ভবন রয়েছে। প্রশাসনিক ভবনটি ৩ তলা বিশিষ্ট, যার একটি সম্পূর্ণ ভূগর্ভস্থতল রয়েছে। এতে একটি ধ্যান মন্দির, অভ্যর্থনা কক্ষ, পুস্তক/লাইব্রেরি, পরামর্শ কক্ষ, রান্নাঘর/ভোজনাগার, অফিস, সন্ন্যাসীদের জন্য ঘর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, এবং জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে ভ্রমণকারী ভক্তদের ৩ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য পূর্ব নির্ধারিত বুকিং প্রয়োজন।

পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক দুটি নিভৃতাবাস ভবন আছে, এবং প্রতিটি ভবনে ৩০টি একক কক্ষ রয়েছে, ব্যক্তিগত এবং পরিচালিত আধ্যাত্মিক নিভৃতাবাসের ওপর মনোনিবেশ করে নির্মাণ করা, যা এই আশ্রমের একটি বিশেষত্ব। ভক্তরা ৩-৫ দিনব্যাপী ব্যক্তিগত নিভৃতাবাসের জন্য থাকতে পারে যেখানে মৌনতা পালন, অধ্যয়ন ও সাধনা এবং আবাসিক সন্ন্যাসীদের পরামর্শ গ্রহণ করতে পারে। এর পাশাপাশি, সন্ন্যাসীদের দ্বারা পরিচালিত নিয়মিত নিভৃতাবাস রয়েছে, যা প্রায়শই সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অনুষ্ঠিত হয়। এই নিভৃতাবাস ৩-৫ দিনের হয়ে থাকে এবং আমাদের পূজ্য গুরুদেবের শিক্ষা, জীবনযাপনের নীতিবোধ এবং মনোসংযোগ ও ধ্যানের প্রক্রিয়াসমূহ, এই সমস্ত বিষয়ের ওপর সংগঠিত হয়ে থাকে । উভয় ক্ষেত্রেই পূর্ব নির্ধারিত সংরক্ষণের প্রয়োজন।

আশ্রমে বড়ো এবং ছোটো উভয় ধরণের সঙ্গম অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

ওয়াইএসএস এ নতুন? কিভাবে ওয়াইএসএস পাঠমালা আপনার জীবনকে রূপান্তরিত করতে পারে, জীবনে সাম্যাবস্থা আনতে পারে, তা বিশদে জানুন।

সাপ্তাহিক কার্যক্রম

সমবেত ধ্যান

আমরা নিয়মিত ধ্যান ও সৎসঙ্গ প্রদান করি যা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। নীরব ধ্যান, ভক্তিগীতি এবং অনুপ্রেরণামূলক পাঠ পর্ব এইসব অধিবেশনের অন্তর্গত।

রবিবার
সকাল 10:00 – সকাল 11:30
রবিবারের সৎসঙ্গ (সংক্ষিপ্ত ধ্যান সহ)
বিকাল 4:45 – রাত 8:00
সান্ধ্যকালিন ধ্যান
বৃহস্পতিবার
সকাল 7:00 – সকাল 8:00
প্রাতঃকালিন ধ্যান
বিকাল 4:45 – রাত 8:00
সান্ধ্যকালিন ধ্যান
অন্যান্য দিন
সকাল 7:00 – সকাল 8:00
প্রাতঃকালিন ধ্যান
বিকাল 5:30 – সন্ধ্যা 7:00
সান্ধ্যকালিন ধ্যান
শিশুদের সৎসঙ্গ

এইসমস্ত পর্বে ৬ থেকে ১২ বছরের শিশুরা ওয়াইএসএস-এর শিক্ষা এবং আকর্ষণীয় অনুষ্ঠান যেমন গল্প বলা, সংক্ষিপ্ত পরিচালিত ধ্যান এবং অন্যান্য আদানপ্রদানমূলক শিক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে জীবনযাত্রা-প্রণালী শেখে। আরও জানুন।

রবিবার
সকাল 10:00 – সকাল 11:30

আগামি বিশিষ্ট ঘটনাবলি এবং দীর্ঘকালীন ধ্যান

তরুণ সাধক সঙ্গম

আরো শিখুন

অক্টোবর 7, 2026, বুধবার – অক্টোবর 11, 2026, রবিবার
মাসিক দীর্ঘ ধ্যান
অক্টোবর 25, 2026, রবিবার
সকাল 10:00 – বিকাল 4:00
সমবেত ধ্যান
সাধনাসংগম (ইংরেজি)

আরো শিখুন

নভেম্বর 18, 2026, বুধবার – নভেম্বর 22, 2026, রবিবার

সংবাদ - চিত্রাদি প্রদর্শন কক্ষ

আপনার সফরের পরিকল্পনা করুন

ওয়াইএসএস ও এসআরএফ পাঠমালার শিক্ষার্থীরা আশ্রমে পাঁচদিন পর্যন্ত থাকতে পারবেন। শক্তিসঞ্চারক ও পুনরুজ্জীবিতকরণে আমরা ভক্তদের ব্যক্তিগত বা পরিচালিত নিভৃতাবাসে যোগদান করতে উৎসাহ দিই। এই নিভৃতাবাসে থাকাকালীন আপনারা ওয়াইএসএস সন্ন্যাসী দ্বারা পরিচালিত সমবেত ধ্যানে দুবেলা অংশগ্রহণ করতে পারেন; যোগদা সৎসঙ্গ পাঠক্রমের অধ্যয়ন ও অভ্যাসের ব্যাপারে আধ্যাত্মিক পরামর্শ এবং নির্দেশনা পেতে পারেন।

আশ্রমে আবাসস্থানের জন্য অনুরোধ করতে দয়া করে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন

যোগদা সৎসঙ্গ শাখা আশ্রম – নয়ডা
Paramahansa Yogananda Marg
B-4, Sector 62
Noida - 201307
Gautam Buddha Nagar
Uttar Pradesh

কীভাবে পৌঁছোবেন

নয়ডা সেক্টর ৬২-তে অবস্থিত ওয়াইএসএস নয়ডা আশ্রমটি বিমান, রেল ও সড়ক পরিবহনের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি প্রান্তের সাথে চমৎকারভাবে সংযুক্ত; সেই সাথে সমগ্র দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলের বিস্তৃত মেট্রো নেটওয়ার্কের সুবিধা যুক্ত। আপনার যাত্রার জন্য সর্বাধিক সুবিধাজনক যাতায়াত ব্যবস্থাটি বেছে নিতে অনুগ্রহ করে নীচের বিবরণগুলো দেখুন।

বিমানযোগে

দিল্লি-এনসিআর এবং তার আশেপাশের অঞ্চলে অবস্থিত তিনটি বিমানবন্দর থেকেই ওয়াইএসএস নয়ডা আশ্রমে সহজেই পৌঁছোন যায়। তিনটি বিমানবন্দর থেকেই প্রি-পেইড ট্যাক্সি এবং ওলা বা উবেরের মতো অ্যাপ-ভিত্তিক ক্যাব সেবা সহজেই পাওয়া যায়।

ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (DEL), নতুন দিল্লি:
আশ্রম থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই প্রধান আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিমানবন্দরটি ভারতের সব গুরুত্বপূর্ণ শহর এবং সমগ্র বিশ্বের সাথে সুসংযুক্ত। এখান থেকে সড়কপথে আশ্রমে পৌঁছোতে সাধারণত প্রায় ১ ঘণ্টা সময় লাগে।

নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (DXN), জেওয়ার, উত্তর প্রদেশ:
আশ্রম থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই অপেক্ষাকৃত নতুন বিমানবন্দরটি বর্তমানে শুধুমাত্র আঞ্চলিক বিমান পরিষেবা প্রদান করে। এর বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, জয়পুর, লখনউ, মুম্বাই, শ্রীনগর এবং অমৃতসরের মতো শহরসমূহ এবং ধীরে ধীরে আরও নতুন রুট যুক্ত করা হচ্ছে। এই বিমানবন্দর থেকে যমুনা এক্সপ্রেসওয়ের মাধ্যমে নয়ডা অভিমুখে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ রয়েছে, এবং রাস্তায় ট্রাফিক কিরকম তার ওপর ভিত্তি করে আশ্রমে পৌঁছোতে সাধারণত প্রায় ১.৫ থেকে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।

হিন্দন বিমানবন্দর (HDO), গাজিয়াবাদ, উত্তর প্রদেশ:
আশ্রম থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হিন্দন বিমানবন্দরটি একটি আঞ্চলিক বিমানবন্দর। ভারতের নির্দিষ্ট কিছু শহর থেকে আসা দর্শনার্থীদের জন্য এটি ওপরের বিমানবন্দরগুলোর বিকল্প হিসাবে চমৎকার ও সুবিধাজনক। এখান থেকে আহমেদাবাদ, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, গোয়া, ইন্দোর, কলকাতা, মুম্বাই, পাটনা এবং বারাণসী ছাড়াও দেশের ছোট ছোট কিছু শহরের বিমান যোগাযোগ রয়েছে। এখান থেকে সড়কপথে আশ্রমে পৌঁছোতে সাধারণত প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট সময় লাগে।

আপনার যাত্রা স্থির করার আগে অনুগ্রহ করে বিমানের সাম্প্রতিক সময়সূচী এবং বিমানবন্দর সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করে নিন, কারণ চলাচলের পথ ও সময়ের পরিবর্তন হতে পারে।

রেলপথে

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ওয়াইএসএস নয়ডা আশ্রমে আসার জন্য ভক্ত ও দর্শনার্থীরা দিল্লি-এনসিআর-এর যেকোনো একটি ট্রেন স্টেশনে আসতে পারেন—যেখানে অসংখ্য দূরপাল্লার এক্সপ্রেস ও সুপারফাস্ট ট্রেন চলাচল করে। এসব স্টেশন থেকে ক্যাব, প্রিপেড ট্যাক্সি বা অটো-রিকশায় সহজেই আশ্রমে পৌঁছোন যায়। দিল্লি মেট্রো ব্যবহার করে পৌঁছোনর বিস্তারিত তথ্যের জন্য অনুগ্রহ করে নীচে দেওয়া ‘মেট্রো যোগে’ অংশটি দেখুন।

নতুন দিল্লি রেলওয়ে স্টেশন (NDLS):
উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব্‌, পশ্চিম ও মধ্য ভারতের সাথে বিস্তৃত যোগাযোগের জন্য নতুন দিল্লি একটি প্রধান ‘রেলওয়ে হাব’ হিসেবে পরিচিত। মুম্বাই, আহমেদাবাদ, কলকাতা, রাঁচি, ভুবনেশ্বর, ডিব্রুগড় ও জম্মুর মতো শহর থেকে আসা রাজধানী ও দূরন্ত এক্সপ্রেসের পাশাপাশি এটি জয়পুর, লখনউ, কানপুর, পাটনা, ভুপাল, চেন্নাই, হায়দ্রাবাদ এবং অন্যান্য প্রধান শহরগুলিকে সংযোগকারী বিখ্যাত ট্রেনগুলোর একটি কেন্দ্র। স্টেশনটি থেকে আশ্রমের দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার এবং সড়কপথে আশ্রমে পৌঁছোতে ৪০–৪৫ মিনিট সময় লাগে।

পুরোনো দিল্লি রেলওয়ে স্টেশন (DLI):
‘দিল্লি জংশন’ নামেও পরিচিত এই স্টেশনটি ভারতের উত্তরাঞ্চল, পশ্চিমাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলের সাথে সুসংযুক্ত। এখান থেকে অমৃতসর, জম্মু, জয়পুর, আজমীর, হরিদ্বার, ঋষিকেশ, লখনউ, গোরখপুর এবং উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, পাঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড ও বিহারের বিভিন্ন শহরের সাথে সংযোগকারী প্রধান প্রধান ট্রেন সার্ভিস রয়েছে। স্টেশনটি থেকে আশ্রমের দূরত্ব প্রায় ২২ কিলোমিটার এবং সড়কপথে আশ্রমে পৌঁছোতে ৪০–৪৫ মিনিট সময় লাগে।

হজরত নিজামুদ্দিন রেলওয়ে স্টেশন (NZM):
আশ্রম থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হজরত নিজামুদ্দিন রেলওয়ে স্টেশনটি একটি অন্যতম প্রধান দূরপাল্লার স্টেশন, যা উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম, মধ্য এবং ভারতের অন্যান্য বহু অঞ্চলের সাথে সরাসরি সংযুক্ত। এখান থেকে যাতায়াতকারী প্রধান ট্রেনগুলোর মধ্যে রয়েছে মুম্বাই ও আগস্ট ক্রান্তি রাজধানী, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, সেকেন্দ্রাবাদ ও তিরুভানন্তপুরম রাজধানী এক্সপ্রেস, এবং মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, আহমেদাবাদ, গোয়া ও কোচির মতো শহরগুলোকে সংযোগকারী দূরন্ত ও সম্পর্ক ক্রান্তি এক্সপ্রেস। এখান থেকে সড়কপথে আশ্রমে পৌঁছোতে সাধারণত প্রায় ৩৫–৪০ মিনিট সময় লাগে।

গাজিয়াবাদ রেলওয়ে স্টেশন (GZB):
আশ্রম থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গাজিয়াবাদ রেলওয়ে স্টেশনটি দিল্লি-এনসিআর-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশন। উত্তর প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চল থেকে আসা যাত্রীদের জন্য এটি অত্যন্ত সুবিধাজনক। লখনউ, কানপুর, প্রয়াগরাজ, বারাণসী, গোরখপুর, মোরাদাবাদ, বেরিলি, আলিগড় এবং উত্তর ও পূর্ব ভারতের বিভিন্ন শহরের সাথে সরাসরি সংযোগকারী বহু ট্রেন চলাচলের সাথে স্টেশনটি যুক্ত। এখান থেকে সড়কপথে আশ্রমে পৌঁছোতে সাধারণত মাত্র ২৫–৩০ মিনিট সময় লাগে।

আনন্দ বিহার টার্মিনাল (ANVT):
আনন্দ বিহার হল দিল্লির আর একটি প্রধান দূরপাল্লার রেলওয়ে টার্মিনাল। এখান থেকে পাটনা, বারাণসী, গোরখপুর, লখনউ, কানপুর, দ্বারভাঙ্গা এবং কলকাতা সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শহরের সাথে সংযোগকারী বিভিন্ন এক্সপ্রেস ও সুপারফাস্ট ট্রেন পরিচালিত হয়। টার্মিনালটি থেকে আশ্রমের দূরত্ব প্রায় ৯ কিলোমিটার, এবং সড়কপথে পৌঁছোতে প্রায় ২৫–৩০ মিনিট সময় লাগে।

ট্রেনের যাত্রাপথ, সময়সূচী এবং যাত্রাবিরতির জন্য স্টেশনের তথ্য পরিবর্তিত হতে পারে। তাই আপনার যাত্রা স্থির করার আগে অনুগ্রহ করে ভারতীয় রেলের ওয়েবসাইট থেকে সর্বশেষ সময়সূচী ও আসন লভ্য কি না, তা যাচাই করে নিন।

সড়ক পথে

আন্তঃরাজ্য বাসগুলো নয়ডা এবং আইএসবিটি, আনন্দ বিহার ও কাশ্মীরি গেটসহ কাছাকাছি বাস টার্মিনালগুলোর উদ্দেশ্যে চলাচল করে। এসব স্থান থেকে আশ্রমে পৌঁছোনর জন্য ট্যাক্সি ও অটো-রিকশা সহজেই পাওয়া যায়।

গাড়ি বা ট্যাক্সিতে আগমনকারী দর্শনার্থীরা আমাদের গুগল ম্যাপস লিঙ্ক অনুসরণ করে নয়ডা আশ্রমে পৌঁছোতে পারেন।

দিল্লি থেকে সড়কপথ/পথনির্দেশনা:

  • দিল্লি থেকে দিল্লি-মিরাট এক্সপ্রেসওয়ে (NE-3) ধরে এগিয়ে চলুন।
  • অক্ষরধাম মন্দিরকে বাঁ পাশে রেখে সোজা প্রায় ৮.৫ কিলোমিটার এগিয়ে যান।
  • সেক্টর ৬২/নয়ডার দিকে যাওয়ার প্রস্থান পথটি (exit) নিন।
  • ৬২ সেক্টরের পুলিশ পোস্ট মোড়ে পৌঁছোন এবং ডানদিকে মোড় নিন।
  • পরমহংস যোগানন্দ মার্গে যাওয়ার জন্য বাঁ দিকের ৩ নম্বর মোড়ে ঘুরুন।
  • পরমহংস যোগানন্দ মার্গে এসে প্রথম ডানদিকের মোড়ে ঘুরুন।
  • মোড় ঘোরার পর, বাঁ দিকের প্রথম ভবনটিই হলো ওয়াইএসএস নয়ডা আশ্রম।

নিকটবর্তী সুপরিচিত স্থানসমূহ:

  • ওকায়া (Okaya) ভবনের পাশেই
  • আইআইএম লখনউ, নয়ডা ক্যাম্পাসের বিপরীতে
  • ফোর্টিস হাসপাতাল, নয়ডা থেকে প্রায় ২–৩ কিলোমিটার দূরে
মেট্রো যোগে

আশ্রমের নিকটতম মেট্রো স্টেশন হল দিল্লি মেট্রোর ব্লু লাইনে অবস্থিত ‘নয়ডা সেক্টর ৬২’ মেট্রো স্টেশন। স্টেশনটি থেকে আশ্রমের দূরত্ব প্রায় ২.২ কিলোমিটার, এবং ট্যাক্সি বা অটো-রিকশায় আশ্রমে পৌঁছোতে প্রায় ১০ মিনিট সময় লাগে। বিমানবন্দর, রেলওয়ে স্টেশন, বাস টার্মিনাল বা দিল্লি-এনসিআরের অন্যান্য যেকোনো স্থান থেকে আশ্রমে আগমনকারী দর্শনার্থীদের জন্য মেট্রো সাধারণত একটি সাশ্রয়ী ও সুবিধাজনক মাধ্যম।

ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে (৭০–৮০ মিনিট):
টার্মিনাল ১ এবং টার্মিনাল ৩—এই দুই জায়গা থেকেই মেট্রো পাওয়া যায়।

  • টার্মিনাল ১ – আইজিআই বিমানবন্দর থেকে ম্যাজেন্টা লাইন ধরে বোটানিক্যাল গার্ডেন স্টেশনে পৌঁছোন। সেখান থেকে লাইন পরিবর্তন করে ব্লু লাইনে (নয়ডা ইলেকট্রনিক সিটির দিকে) উঠুন এবং নয়ডা সেক্টর ৬২ মেট্রো স্টেশনে নামুন।
  • টার্মিনাল ৩ – আইজিআই বিমানবন্দর থেকে অরেঞ্জ লাইন (এয়ারপোর্ট এক্সপ্রেস) ধরে নতুন দিল্লি স্টেশনে পৌঁছোন। সেখান থেকে লাইন পরিবর্তন করে ইয়েলো লাইনে ধরে (মিলেনিয়াম সিটি সেন্টার গুরগাঁওয়ের দিকে) রাজীব চক স্টেশনে নামুন। এরপর রাজীব চক থেকে ব্লু লাইন (নয়ডা ইলেকট্রনিক সিটির দিকে) ধরে নয়ডা সেক্টর ৬২ স্টেশনে নামুন।

নতুন দিল্লি রেলওয়ে স্টেশন থেকে (৫০–৬০ মিনিট):
নতুন দিল্লি মেট্রো স্টেশন থেকে ইয়েলো লাইন ধরে (মিলেনিয়াম সিটি সেন্টার গুরগাঁওয়ের দিকে) রাজীব চক স্টেশনে নামুন। সেখান থেকে লাইন পরিবর্তন করে ব্লু লাইনে (নয়ডা ইলেকট্রনিক সিটির দিকে) উঠুন এবং নয়ডা সেক্টর ৬২ স্টেশনে নামুন।

পুরোন দিল্লি রেলওয়ে স্টেশন থেকে (৫০–৬০ মিনিট):
চাঁদনি চক মেট্রো স্টেশন থেকে ইয়েলো লাইনে (মিলেনিয়াম সিটি সেন্টার গুরগাঁওয়ের দিকে) উঠে রাজীব চক স্টেশনে নামুন। সেখান থেকে লাইন পরিবর্তন করে ব্লু লাইনে (নয়ডা ইলেকট্রনিক সিটির দিকে) উঠুন এবং নয়ডা সেক্টর ৬২ স্টেশনে নামুন।

আনন্দ বিহার টার্মিনাল থেকে (৪৫–৫৫ মিনিট):
আনন্দ বিহার আইএসবিটি মেট্রো স্টেশন থেকে পিঙ্ক লাইন ধরে (আই.পি. এক্সটেনশনের দিকে) ময়ূর বিহার ফেজ-১ স্টেশনে নামুন। সেখান থেকে লাইন পরিবর্তন করে ব্লু লাইনে (নয়ডা ইলেকট্রনিক সিটির দিকে) উঠুন এবং নয়ডা সেক্টর ৬২ স্টেশনে নামুন।

আইএসবিটি (ISBT) কাশ্মীরি গেট থেকে (৬০–৭০ মিনিট):
আইএসবিটি কাশ্মীরি গেট মেট্রো স্টেশন থেকে ভায়োলেট লাইন ধরে (রাজা নাহার সিংহের দিকে) মন্ডি হাউস স্টেশনে নামুন। সেখান থেকে লাইন পরিবর্তন করে ব্লু লাইনে (নয়ডা ইলেকট্রনিক সিটির দিকে) উঠুন এবং নয়ডা সেক্টর ৬২ স্টেশনে নামুন।

মেট্রোর যাত্রাপথ (রুট), পরিবর্তনকারী স্টেশন এবং যাত্রার সময় পরিবর্তিত হতে পারে। তাই যাত্রা শুরু করার পূর্বে অনুগ্রহ করে দিল্লি মেট্রোর সর্বাধুনিক রুট ও পরিষেবা সংক্রান্ত তথ্য দেখে নিন।

এই শেয়ার করুন