আন্তর্জাতিক যোগ দিবস
পরমহংসজি অত্যন্ত আনন্দিত হতেন জেনে যে আজ সারা বিশ্ব প্রতি বছর যোগদর্শন ও যোগবিজ্ঞানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছে, যেহেতু তাঁর জীবন সকল সত্যসন্ধানীদেরকে কালজয়ী যোগীয় ধ্যান প্রণালীর সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য উৎসর্গীকৃত হয়েছে। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, যোগের প্রতি আজকের বিশ্বব্যাপী আগ্রহের বেশিরভাগই পরমহংস যোগানন্দের শিক্ষার ফল, যা তিনি এক শতাব্দীরও অধিক আগে ভারত থেকে আমেরিকায় নিয়ে গিয়েছিলেন। “যদি ভারতের আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালনের ধারণা জাতিসংঘে সহজেই গ্রহণযোগ্য হয়ে থাকে, তবে তার বেশিরভাগ কৃতিত্ব অবশ্যই পরমহংস যোগানন্দের, যিনি আমেরিকায় ভারতের প্রথম যোগ গুরু” — এমনটাই জানিয়েছে একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম। “এক শতাব্দী আগে আমেরিকায় যোগের ভিত্তি স্থাপনে তিনি এক বিশাল ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন।”
পরমহংস যোগানন্দ তাঁর বহুল প্রশংসিত ভগবদগীতা অনুবাদ ও ভাষ্যগ্রন্থ (গড টক্স উইথ অর্জুন)-এ ব্যাখ্যা করেছেন: “যোগ শব্দটি আত্মার সঙ্গে মনের মিলনের ফলস্বরূপ যথার্থ ভারসাম্য বা মানসিক সমতাকে সূচিত করে। যোগ সেই আধ্যাত্মিক ধ্যান প্রক্রিয়াকেও সূচিত করে, যার মাধ্যমে পরমাত্মার সঙ্গে সংযোগ ঘটে। এছাড়াও যোগের অর্থ হল যে কোনো কর্ম যা ঐশ্বরিক মিলনের পথ প্রদর্শন করে।”
অনুষ্ঠান সম্পর্কে
দৈনন্দিন জীবনের নানাবিধ প্রতিকূলতার মাঝেও আমরা কীভাবে অবিচল শান্তি ও অন্তরের প্রশান্তি অর্জন ও রক্ষা করতে পারি? ঈশ্বরসন্ধানীদের সহায়তা করার উদ্দেশ্যে বিশেষভাবে পরিকল্পিত যোগ-ধ্যান বিষয়ক অনুপ্রেরণামূলক পরিচয়ধর্মী অধিবেশনসমূহে আমাদের সঙ্গে যোগ দিন, যাতে সকল পরিস্থিতিতে কীভাবে অন্তরে সাম্যতা সংরক্ষণ করা যায় তা আপনি আবিষ্কার করতে পারেন।
পরমহংস যোগানন্দের শাশ্বত ক্রিয়াযোগ শিক্ষার অবলম্বনে, এই অনলাইন কার্যক্রমগুলি উন্মোচন করে যে যোগ কীভাবে দিব্যশান্তির এক গভীর রূপান্তরকারী অভিজ্ঞতার দিকে নিয়ে যেতে পারে এবং আমাদের নিজেদের উন্নততর রূপে বিকশিত হতে সাহায্য করে।
যোগদা সৎসঙ্গ সোসাইটি অফ ইন্ডিয়ার একজন সন্ন্যাসীর পরিচালনায়, এই অধিবেশনগুলিতে বিজ্ঞানসম্মত আধ্যাত্মিক শিক্ষার একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি থাকবে, যার পর একটি নির্দেশিত ধ্যান অনুষ্ঠিত হবে। এই ধ্যানে সঠিক ভঙ্গি, প্রারম্ভিক শ্বাসের ব্যায়াম, সংকল্প এবং মানসদর্শন প্রক্রিয়ার মূল বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যা আপনার মনকে গভীর শান্তিতে স্থিত করতে সহায়তা করবে।
আমরা আপনাকে আপনার বন্ধু এবং যোগ-ধ্যানে আগ্রহী সকলকে এই অনুষ্ঠানগুলিতে যোগদানের জন্য এবং এর থেকে উপকৃত হওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাতে উৎসাহিত করছি।
বিশিষ্ট অনুষ্ঠান (ইংরেজিতে)
“যোগ-ধ্যানের মাধ্যমে শান্তি অনুভব করুন”
(একটি পরিচালিত ধ্যান অধিবেশন সহ)
শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬
সন্ধ্যা ৬:৩০ থেকে সন্ধ্যা ৭:৩০ (আইএসটি)
ওয়াইএসএস নয়ডা আশ্রম থেকে সরাসরি সম্প্রচারিত এই অনুষ্ঠানটি, ওয়াইএসএস সন্ন্যাসী স্বামী আদ্যানন্দ গিরি দ্বারা পরিচালিত হবে এবং পরবর্তীকালে দেখার জন্য উপলব্ধ থাকবে।
সকল অনলাইন অনুষ্ঠান
“যোগ-ধ্যানের মাধ্যমে শান্তি অনুভব করুন”
(একটি পরিচালিত ধ্যান অধিবেশন সহ)
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬
সকাল ১১:০০ টা থেকে দুপুর ১২:০০ টা (আইএসটি)
ওয়াইএসএস দক্ষিণেশ্বর আশ্রম থেকে সরাসরি সম্প্রচারিত এই অনুষ্ঠানটি, ওয়াইএসএস সন্ন্যাসী স্বামী শ্রেয়ানন্দ গিরি পরিচালনা করবেন এবং পরবর্তীকালে দেখার জন্য উপলব্ধ থাকবে।
“যোগ-ধ্যানের মাধ্যমে শান্তি অনুভব করুন”
(একটি পরিচালিত ধ্যান অধিবেশন সহ)
শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬
সকাল ১১:০০টা থেকে দুপুর ১২:০০টা (আইএসটি)
ওয়াইএসএস চেন্নাই আশ্রম থেকে সরাসরি সম্প্রচারিত এই অনুষ্ঠান, ওয়াইএসএস সন্ন্যাসী স্বামী কেদারানন্দ গিরি পরিচালনা করবেন এবং পরবর্তীকালে দেখার জন্য উপলব্ধ থাকবে।
“যোগ-ধ্যানের মাধ্যমে শান্তি অনুভব করুন”
(একটি পরিচালিত ধ্যান অধিবেশন সহ)
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬
সন্ধ্যা ৬:৩০ থেকে সন্ধ্যা ৭:৩০ (আইএসটি)
ওয়াইএসএস নয়ডা আশ্রম থেকে সরাসরি সম্প্রচারিত এই অনুষ্ঠানটি, ওয়াইএসএস সন্ন্যাসী স্বামী আদ্যানন্দ গিরি দ্বারা পরিচালিত হবে এবং পরবর্তীকালে দেখার জন্য উপলব্ধ থাকবে।
“যোগ-ধ্যানের মাধ্যমে শান্তি অনুভব করুন”
(একটি পরিচালিত ধ্যান অধিবেশন সহ)
রবিবার, জুন ১৪, ২০২৬
সকাল ১১:০০টা থেকে দুপুর ১২:০০টা (আইএসটি )
ওয়াইএসএস রাঁচি আশ্রম থেকে সরাসরি সম্প্রচারিত এই অনুষ্ঠানটি, ওয়াইএসএস সন্ন্যাসী স্বামী ঈশ্বরানন্দ গিরি দ্বারা পরিচালিত হবে এবং পরবর্তীকালে দেখার জন্য উপলব্ধ থাকবে।
“যোগ-ধ্যানের মাধ্যমে শান্তি অনুভব করুন”
(একটি পরিচালিত ধ্যান অধিবেশন সহ)
রবিবার, জুন ১৪, ২০২৬
সন্ধ্যা ৬:৩০ থেকে সন্ধ্যা ৭:৩০ (আইএসটি)
ওয়াইএসএস চেন্নাই কেন্দ্র থেকে সরাসরি সম্প্রচারিত এই অনুষ্ঠানটি, ওয়াইএসএস সন্ন্যাসী স্বামী শুদ্ধানন্দ গিরি দ্বারা পরিচালিত হবে এবং পরবর্তীকালে দেখার জন্য উপলব্ধ থাকবে।
ব্যক্তিগত উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান
এই অনলাইন অনুষ্ঠানগুলি ছাড়াও, সারা দেশে বিভিন্ন ওয়াইএসএস কেন্দ্র ও মণ্ডলীতে ব্যক্তিগত উপস্থিতিতেও অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। আরও বিশদ বিবরণ এবং প্রাসঙ্গিক তথ্যের জন্য, অনুগ্রহ করে নীচের বোতামটিতে ক্লিক করুন:
অটোবায়োগ্রাফি অফ এ য়োগি-তে বিশেষ ছাড়
এই উপলক্ষ্যে, আমরা ‘অটোবায়োগ্রাফি অফ এ য়োগি’ গ্রন্থটির একটি বিনামূল্যে ইবুক কপি (ইংরেজি এবং আরও কয়েকটি ভাষায়) প্রদান করছি। এছাড়াও, এই আধ্যাত্মিক কালোত্তীর্ণ গ্রন্থটির সমস্ত মুদ্রিত সংস্করণ ২৫% ছাড়ে উপলব্ধ। বিস্তারিত তথ্যের জন্য, অনুগ্রহ করে নীচের বিভাগগুলি দেখুন।

বিনামূল্যে
‘অটোবায়োগ্রাফি অফ এ য়োগি’ — ইবুক ডাউনলোড করুন
বৈধ থাকবে:
২২শে জুন, ২০২৬
বৈধ থাকবে:
২২শে জুন, ২০২৬
পরমহংস যোগানন্দ সম্বন্ধে
পরমহংস যোগানন্দ তাঁর সর্বাঙ্গীণ শিক্ষার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছেন। “পশ্চিমে যোগের জনক” হিসেবে সুপরিচিত, পরমহংসজি প্রথম এমন এক বিশ্বব্যাপী শিক্ষা সূচিত করেন, যা বিজ্ঞানসম্মত প্রাণায়াম (প্রাণশক্তি নিয়ন্ত্রণ) প্রক্রিয়ার একটি সম্পূর্ণ পদ্ধতি তুলে ধরে। যোগের চূড়ান্ত লক্ষ্য হল নিজেকে সর্বজ্ঞ, সর্বব্যাপী আত্মা রূপে উপলব্ধি করা। যোগানন্দজির কর্মসূচি — যোগদা সৎসঙ্গ পাঠমালাতে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে — যা ধর্মের অন্তর্নিহিত ভিত্তির প্রতি একটি বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে। এ এক প্রণালী, যা ক্রমশ আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে আকৃষ্ট করছে: যারা শুধুমাত্র হঠযোগের শারীরিক উপকারের জন্য নয়, বরং মানসিক শক্তির বিকাশ এবং সর্বোপরি আত্মিক বিকাশের জন্য আগ্রহী।
তাঁর শিক্ষা ও তিনি যে ধ্যান প্রক্রিয়াগুলি শিখিয়েছিলেন, সেগুলো আজ উপলব্ধ রয়েছে:
- যোগদা সৎসঙ্গ পাঠমালা, একটি সর্বাঙ্গীণ ঘরে-বসে পাঠের পাঠ্যক্রম যা যোগানন্দজি নিজেই শুরু করেছিলেন। এটি ডিজিটাল অ্যাপেও উপলব্ধ
- ওয়াইএসএস-এর বই, রেকর্ডিং এবং অন্যান্য প্রকাশনা, যা তিনি তাঁর শিক্ষাবলি বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন
- দেশজুড়ে যোগদা সৎসঙ্গ সোসাইটি অফ ইন্ডিয়ার সন্ন্যাসী পরিচালিত পরিক্রমা অনুষ্ঠিত হয় যেখানে তাঁরা যোগের শক্তিসঞ্চার, একাগ্রতা এবং ধ্যানের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যাখ্যা করেন
- সন্ন্যাসীগণ কর্তৃক পরিচালিত নিভৃতাবাস
- সাধনা সংগম
- শিশুদের জন্য ধ্যান ও আধ্যাত্মিক জীবনযাপনের অনুষ্ঠানসূচি
অন্যরা যা বলেছেন
"আমি ১৯৩৫-এ কলকাতায় পরমহংস যোগানন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি। আমি তখন থেকেই আমেরিকায় তাঁর কর্মধারার বিবরণ অনুসরণ করে আসছি। অন্ধকারের মধ্যে একটি উজ্জ্বল আলো যেমন দীপ্তি ছড়ায়, তেমনি ছিল এই পৃথিবীতে যোগানন্দের উপস্থিতি। এমন মহাত্মা কদাচিৎ পৃথিবীতে অবতীর্ণ হন, যখন মানুষের মধ্যে প্রকৃত প্রয়োজন দেখা দেয়।"
“আজ যোগদা সৎসঙ্গ সোসাইটি অফ ইন্ডিয়া/সেল্ফ-রিয়লাইজেশন ফেলোশিপের বিশ্বব্যাপী কেন্দ্রগুলো পরমহংস যোগানন্দের কর্মের প্রতিনিধি। এরা নিজেদের বহুগুণ বাড়িয়ে একটি ঘনিষ্ঠ বুননের আধ্যাত্মিক চুম্বকীয় জাল তৈরি করবে, যা বিশ্বে শান্তি ও আনন্দ বর্ষণ করবে।”
“আমি যোগদা সৎসঙ্গ সোসাইটি অফ ইন্ডিয়া/সেল্ফ-রিয়লাইজেশন ফেলোশিপে (পরমহংস যোগানন্দের প্রতিষ্ঠিত) সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিকতা, সেবা এবং ভালোবাসা পেয়েছি।”
“আমি এই বইটি ভালোবাসি। যারা তাদের চিন্তাভাবনা এবং আদর্শকে চ্যালেঞ্জ জানাতে যথেষ্ট সাহসী, তাদের অবশ্যই এটি পড়া উচিত। এই পুস্তকে প্রদত্ত জ্ঞানের বোধগম্যতা ও প্রয়োগ আপনার সমগ্র দৃষ্টিভঙ্গি এবং জীবনকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তিত করবে। ঈশ্বরের ওপর বিশ্বাস রাখুন এবং ভালো কাজে দৃঢ়ভাবে অগ্রসর হোন #এককপ্রেম #কৃতজ্ঞথাকুন #একেঅপরকেসাহায্যকরুন”
"১৯৩০-এর দশকে আমি বালক অবস্থায় দুবার পরমহংস যোগানন্দকে দেখেছি.... কুড়ি বছর পরে আমাকে কেউ যোগী-কথামৃত দেয়.... সেই বই পড়া শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে সেটি আমার ওপর এমন প্রভাব ফেলেছিল যা আমি বর্ণনা করতে পারি না। আমি যোগীদের লেখা যোগ সম্পর্কে অনেক বই পড়েছি; কিন্তু কখনও এই বইয়ের মতো মুগ্ধ হইনি। এতে যেন এক ধরনের যাদু আছে।"
"আমি বাড়িতে যোগী-কথামৃত বইয়ের স্তূপ করে রাখি এবং প্রায়ই এটি মানুষকে উপহার দিই। যখন কেউ নতুন করে নিজেকে গড়ে তোলার প্রয়োজন বোধ করে, আমি বলি — এই বইটি পড়ো, কারণ এটি প্রতিটি ধর্মের হৃদয়ে পৌঁছে যায়।"
যোগদা সৎসঙ্গ সোসাইটি অফ ইন্ডিয়া সম্পর্কে
গত ১০০ বছর ধরে, যোগদা সৎসঙ্গ সোসাইটি অফ ইন্ডিয়া (ওয়াইএসএস), এর প্রতিষ্ঠাতা ও পশ্চিমে যোগের জনক রূপে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় শ্রীশ্রী পরমহংস যোগানন্দের আধ্যাত্মিক ও মানবহিতৈষী কর্মধারাকে অব্যাহত রাখতে উৎসর্গীকৃত।
পরমহংস যোগানন্দ হাজার হাজার বছর পূর্বে ভারতে উদ্ভূত পবিত্র আধ্যাত্মিক বিজ্ঞান ক্রিয়াযোগের সর্বজনীন শিক্ষাগুলি সকলের জন্য উপলব্ধ করার উদ্দেশ্যে ১৯১৭-তে যোগদা সৎসঙ্গ সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন। এই অ-সাম্প্রদায়িক শিক্ষাগুলি একটি পূর্ণাঙ্গ দর্শন ও জীবনযাত্রার পথ নির্দেশ করে, যা সার্বিক সাফল্য ও কল্যাণ অর্জনে সহায়ক, এবং জীবনের চূড়ান্ত লক্ষ্য — আত্মার সঙ্গে পরমাত্মার (ঈশ্বরের) মিলনের জন্য ধ্যানের প্রণালীও প্রদান করে।
পরমহংস যোগানন্দ তাঁর বহুল প্রশংসিত ভগবদগীতা অনুবাদ ও ভাষ্যগ্রন্থ (গড টক্স উইথ অর্জুন)-এ ব্যাখ্যা করেছেন: “যোগ শব্দটি আত্মার সঙ্গে মনের মিলনের ফলস্বরূপ যথার্থ ভারসাম্য বা মানসিক সমতাকে সূচিত করে। যোগ সেই আধ্যাত্মিক ধ্যান প্রক্রিয়াকেও সূচিত করে, যার মাধ্যমে পরমাত্মার সঙ্গে সংযোগ ঘটে। এছাড়াও যোগের অর্থ হল যে কোনো কর্ম যা ঐশ্বরিক মিলনের পথ প্রদর্শন করে।”
















