পরমহংস যোগানন্দ রচিত বিশ্ববিখ্যাত আধ্যাত্মিক গ্রন্থ যোগী-কথামৃত-তে উল্লিখিত রহস্যময় যোগী মহাবতার বাবাজি কে? উত্তর হিমালয়ের বদরিনারায়ণের নিকটবর্তী দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থানকারী এক অমর মহাগুরু মহাবতার (মহান অবতার) বাবাজিকে, এক দিব্য অবতার রূপে বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি জন্ম-মৃত্যুর পুনরাবর্তনের চক্র সম্পূর্ণরূপে অতিক্রম করেছেন এবং সহস্রাব্দ ধরে মানবজাতির আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য এক উজ্জ্বল, চিরযৌবনময় শারীরিক রূপ ধারণ করে আছেন। যাঁরা বাবাজির দর্শন লাভ করেছেন, তাঁরা বলেন যে তাঁর স্বভাব বিশুদ্ধ প্রেমময় এবং বিনয় তাঁর প্রধান বৈশিষ্ট্য। শ্রদ্ধার সঙ্গে শুধু তাঁর পবিত্র নাম উচ্চারণ করলেও তৎক্ষণাৎ এক দিব্য আশীর্বাদ লাভ হয় বলে কথিত।
যোগদা সৎসঙ্গ সোসাইটি অফ ইন্ডিয়া (ওয়াইএসএস)-এর একজন বরিষ্ঠ সন্ন্যাসী স্বামী স্মরণানন্দ গিরি প্রদত্ত এই ইংরেজি বক্তৃতায় আমরা আপনাকে মহাবতার বাবাজি সম্পর্কে আরও জানতে আমন্ত্রণ জানাই। আবিষ্কার করুন কীভাবে ক্রিয়াযোগ, ঈশ্বর-উপলব্ধির এই পবিত্র, বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া এক অবিচ্ছিন্ন গুরু-শিষ্য পরম্পরার মাধ্যমে প্রবাহিত হয়েছে — বাবাজি থেকে লাহিড়ী মহাশয়, স্বামী শ্রীযুক্তেশ্বর এবং পরিশেষে পরমহংস যোগানন্দের কাছে এসে পৌঁছেছে। ১৯২০-তে বাবাজি ব্যক্তিগতভাবে পরমহংস যোগানন্দজিকে এই শিক্ষা পাশ্চাত্যে প্রচারের জন্য দায়িত্ব অর্পণ করেছিলেন।
এই বক্তৃতাটি আরও পাঁচটি ভারতীয় ভাষায় উপলব্ধ: হিন্দি, বাংলা, কন্নড়, তামিল এবং তেলুগু
















