সহমর্মিতা ও গভীর অন্তর্দৃষ্টির মাধ্যমে একজন প্রকৃত গুরু শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিকভাবে দীন-দরিদ্র মানুষের মাঝে ঈশ্বরকেই দুঃখভোগ করতে দেখেন; আর তাই তাদের সহায়তা করাকে তিনি নিজের এক আনন্দময় কর্তব্য বলে মনে করেন।
— শ্রীশ্রী পরমহংস যোগানন্দ
গুরু পূর্ণিমায় একটি বিশেষ উৎসর্গ করুন
আমাদের পরম পূজনীয় গুরুদেব শ্রীশ্রী পরমহংস যোগানন্দ আমাদের স্মরণ করিয়ে দেন যে, একজন প্রকৃত গুরু সকলের মধ্যেই ঈশ্বরকে দর্শন করেন এবং আনন্দের সাথে তাদের উন্নতিকল্পে নিজেকে উৎসর্গ করেন। গুরুপূর্ণিমা সেই পবিত্র তিথি, যখন আমরা ঈশ্বরের প্রেম ও আলোর দিব্য দূতরূপী প্রকৃত গুরুগণের সম্মান জানাই এবং গভীর কৃতজ্ঞতায় অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে তাঁদের প্রতি প্রণতি নিবেদন করি।
আমাদের জন্য, পরমহংসজির শিষ্যদের কাছে, এই দিনটি নিছক একটি উদযাপনের চেয়েও বেশি কিছু। এটি আমাদের আধ্যাত্মিক যাত্রাপথে গুরুদেবের আশীর্বাদ অনুধাবন করার এবং সাধ্যমত তাঁর সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখার সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করার একটি বিশেষ মুহূর্ত।
গুরুদেবের সেবাকার্যে প্রেমপূর্ণ অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ
এই পবিত্র মুহূর্তে যখন আমরা আমাদের পরমপ্রিয় গুরুদেবের পাদপদ্মে হৃদয়ের ভালোবাসা নিবেদন করছি, তখন অনেক ভক্তের মনেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই প্রশ্নটি জেগে উঠছে:
“কীভাবে আমি আনন্দচিত্তে অন্যদের সেবায় তাঁর এক উপযুক্ত যন্ত্র হয়ে উঠতে পারি ?”
এই গুরু পূর্ণিমায়, দুটি পবিত্র কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমরা আপনাকে এমন এক মাধ্যম হয়ে ওঠার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি—যেখানে আপনার প্রেমপূর্ণ সহায়তা পরমহংসজির লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে:
আনুমানিক মোট খরচ: ১৪ কোটি টাকা
আপনাদের প্রার্থনা, সেবা এবং উদারহস্তে দানের জন্য আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ; এগুলোর মাধ্যমেই আমরা বিশ্বজুড়ে গুরুদেবের ক্রিয়াযোগের শিক্ষা ও তাঁর করুণাময় ভালোবাসার আলো ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হচ্ছি।
নীচে বিস্তারিত আবেদনপত্রটি দয়া করে পড়ুন।
পর্যায় ১
মহাবতার বাবাজির গুহার কাছে রাতখালে একটি দর্শনার্থী কেন্দ্র বা অতিথি ভবন
মহাবতার বাবাজির গুহার পবিত্র স্থানটি বিশ্বজুড়ে ঈশ্বরসন্ধানীদের জন্য এক আলোকবর্তিকা হয়ে উঠেছে। ১৮৬১-তে এই পুণ্যভূমিতেই অবিনশ্বর বাবাজি তাঁর মহান শিষ্য লাহিড়ী মহাশয়ের সঙ্গে মিলিত হয়েছিলেন এবং তাঁর মাধ্যমেই বর্তমান যুগের জন্য ক্রিয়াযোগের লুপ্ত বিজ্ঞানকে পুনরুজ্জীবিত করেছিলেন।
আমাদের পরম প্রেমময় গুরুদেবের অটোবায়োগ্রাফি অফ এ য়োগি (যোগী-কথামৃত) গ্রন্থ এবং ইন্টারনেট ও অনলাইন মাধ্যমের কল্যাণে মহাবতার বাবাজির কথা ক্রমশ আরও বেশি মানুষ জানতে পারছেন। এর ফলে প্রতিদিন বহু দর্শনার্থী — যাদের মধ্যে অনেক সময় বাসভর্তি যাত্রী এবং বিশিষ্ট ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও থাকেন — এই মহান অবিনশ্বর গুরুর আশীর্বাদ লাভের আশায় এই পবিত্র তীর্থস্থানে আসেন। কেউ কেউ হয়তো আগে থেকেই যোগদা সৎসঙ্গ সোসাইটি অফ ইন্ডিয়া (ওয়াইএসএস) এবং সেল্ফ-রিয়লাইজেশন ফেলোশিপ (এসআরএফ ) -এর বিষয়ে অবগত; কিন্তু অনেকেই এখনও জানেন না যে, বিশ্বজুড়ে ক্রিয়াযোগের বিজ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে বাবাজির আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে যোগানন্দজিই এই সংস্থাগুলি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি শ্রী রামনাথ কোবিন্দ তাঁর সফরসঙ্গীদের নিয়ে গুহা এবং স্মৃতিভবন (যা গুহার ঠিক নীচেই অবস্থিত) পরিদর্শন করেছেন।
বাবাজির গুহার কাছে একটি পূর্ণাঙ্গ সুযোগ-সুবিধা-সহ ভিজিটরস সেন্টার বা অতিথি ভবন গড়ে তোলার বিষয়ে ওয়াইএসএস-এর দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা রয়েছে ; এখানে তীর্থযাত্রীরা গুহায় যাওয়ার পথে ও ফেরার সময় বিশ্রাম ও স্বস্তি লাভের সুযোগ পাবেন। এছাড়া, এই কেন্দ্রটি আগ্রহী সাধকদের ওয়াইএসএস / এসআরএফ এবং গুরুদেবের ক্রিয়াযোগ শিক্ষা বিষয়ক তথ্যও প্রদান করবে।
তাছাড়া, ওয়াইএসএস এমন একটি পরিষেবা কেন্দ্র গড়ে তুলতে চেয়েছে যেখানে কিছু সেবক অবস্থান করে অতিথি ভবন, বাবাজির গুহা এবং গুহার ঠিক নীচে অবস্থিত স্মৃতিভবনের দেখাশোনা করতে পারেন। এই লক্ষ্য নিয়ে, কয়েক বছর আগে ওয়াইএসএস বাবাজির গুহার কাছাকাছি ১১ একর জমি অধিগ্রহণ করেছে।
২০২৪-এ, আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় অধ্যক্ষ শ্রীশ্রী স্বামী চিদানন্দ গিরি এই দুটি ভবন নির্মাণের জন্য সহৃদয় আশীর্বাদ প্রদান করেন:
১. দর্শনার্থী কেন্দ্র (অতিথি ভবন)
বাবাজির গুহা দর্শনে আগত তীর্থযাত্রী ও যোগদা ভক্তদের স্বাগত জানানোর জন্য ৬,২০০ বর্গফুট আয়তনের একটি দোতলা ভবন, যেখানে থাকবে:
- একটি অভ্যর্থনা কক্ষ
- ওয়াইএসএস-এর আধ্যাত্মিক পুস্তকসমৃদ্ধ একটি কক্ষ
- একটি অডিও-ভিস্যুয়াল উপস্থাপনা কক্ষ এবং একটি ফটো গ্যালারি, যেখানে ওয়াইএসএস-এর পবিত্র গুরুপরম্পরার ইতিহাস ও ক্রিয়াযোগ শিক্ষার সাথে তীর্থযাত্রীদের পরিচয় করানো হবে
- তীর্থযাত্রীদের জন্য পানীয় ও জলযোগের ব্যবস্থা
- পরিচ্ছন্ন ও সহজে ব্যবহারযোগ্য শৌচাগার, এবং
- নিরাপত্তা ব্যবস্থা, জল সংরক্ষণের ব্যবস্থা ও তত্ত্বাবধায়কের আবাসনের মত অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুযোগসুবিধা





২. সুবিধাদি ভবন
১৬,০০০ বর্গফুট আয়তনের এই চারতলা ভবনটিতে সেই সেবকদের আবাসনের ব্যবস্থা থাকবে, যারা তীর্থযাত্রীদের সেবা প্রদান, অতিথি ভবন, সুবিধাদি ভবন, বাবাজির গুহা ও তৎসংলগ্ন এলাকা এবং স্মৃতিভবন-এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করবেন। প্রস্তাবিত সুবিধাসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- আবাসিক সেবকদের থাকার ব্যবস্থা
- অল্প সংখ্যক দর্শনার্থী ভক্তের আহার ও বাসস্থানের ব্যবস্থা
- একটি দাতব্য চিকিৎসালয়
- সহায়ক অবকাঠামো—বৃষ্টির জল সংগ্রহের সুবিধাসহ নির্ভরযোগ্য জল সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং জেনারেটর ব্যাকআপসহ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা, যাতে সব ঋতুতেই তীর্থযাত্রীদের সেবা কোনো বাধা ছাড়াই অব্যাহত থাকে
- অফিস কক্ষ, কর্মীদের আবাসন, গাড়ি পার্কিং এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধাদি যা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় সহায়তা করে
আর্থিক বিবরণ ও সময়সীমা
- নির্মাণের মোট আনুমানিক ব্যয়: ১০ কোটি টাকা
- সমাপ্তির প্রত্যাশিত সময়: ২০২৭-এর প্রথম দিকে
এই মহৎ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আপনার সহায়তাকে আমরা স্বাগত জানাই।
পর্যায় ২
গুরুদেবের রাঁচি আশ্রম সংরক্ষণ
এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে, ওয়াইএসএস রাঁচি আশ্রম এক পুণ্যময় আশ্রয়স্থল হয়ে রয়েছে ; এখানে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা গুরুদেবের উপস্থিতিতে পবিত্র হয়ে ওঠা এই প্রাঙ্গণে বিচরণ ও ধ্যানের মাধ্যমে নিজেদের হৃদয় শান্তি ও আনন্দে পূর্ণ করতে আসেন।
আমাদের ২০২৬-এর জানুয়ারির সংবাদসংকলনে আমরা জানিয়েছিলাম যে এখানে যারা আসেন বা সেবা করেন, তাঁদের যত্ন নিতে এবং এই পবিত্র আশ্রমের শান্ত ও সৌন্দর্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করতে যে সকল উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে:
- রাস্তা ও এলাকার পরিবেশের উন্নয়ন —পাকা রাস্তা, পাথর-বাঁধানো হাঁটার পথ ও পথচারীদের চলাচলের পথ; শান্ত ও স্নিগ্ধ পরিবেশ আরও সুনিবিড় করতে ল্যান্ডস্কেপিং; সৌরবিদ্যুৎ-চালিত আলোকব্যবস্থা ও উন্নত বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা; এবং কেন্দ্রীয় পয়ঃনিষ্কাশন ও জল নিষ্কাশন ব্যবস্থা।
- শিশুদের জন্য সুযোগ-সুবিধার উন্নতি, প্রচারমূলক কার্যক্রম ও সেবাকার্য — এর মধ্যে রয়েছে যুব পরিষেবার জন্য একটি নিবেদিত ভবন; ওয়াইএসএস পাঠমালা মুদ্রণ ও সংরক্ষণের জন্য অতিরিক্ত স্থান; এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের উন্নত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে নতুন দন্তচিকিৎসা বিভাগসহ একটি সংস্কারকৃত দাতব্য চিকিৎসালয়।
গুরুদেবের কৃপায় এলাকার এই সমস্ত উদ্যোগের নির্মাণকাজ সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে চলেছে; এবং আমরা আপনাদের সাথে নীচের ছবি-উপস্থাপনাটি ভাগ করে নিতে পেরে আনন্দিত। ২০২৭-এর শুরুর দিকে এই সবকটি প্রকল্প সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
১. রাস্তা ও চলাচলের পথ
পথ নির্মাণের বিভিন্ন পর্যায়






২. বর্জ্য নিষ্কাশন ও নিকাশি ব্যবস্থা



৩. সংরক্ষণাগার



আপনাদের সদয় মনোভাব ও আর্থিক সহায়তার ফলেই আমরা এই প্রকল্পগুলো হাতে নিতে পেরেছি।
সংস্কারকাজের জন্য আমাদের রাঁচি আশ্রমটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছিল। আমরা এতে এমন একটি সুযোগ দেখতে পেলাম যার মাধ্যমে বহু প্রতীক্ষিত কিছু অতিরিক্ত প্রকল্প একইসাথে হাতে নেওয়া সম্ভব ছিল।
৪. ভূগর্ভস্থ বৃষ্টির জল সংরক্ষণের জলাধার
আশ্রমের আশেপাশে বহুতল ভবন নির্মাণের ফলে ভূগর্ভস্থ জলের স্তর ক্রমশ নীচে নেমে যাচ্ছে; পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে আশ্রমের কিছু কুয়ো শুকিয়ে যায় এবং আমাদের বোরওয়েলগুলি থেকেও জলের জোগান ক্রমাগত কমছে। পুরসভার জল সরবরাহ ব্যবস্থা থাকলেও তা অনিয়মিত এবং আশ্রমের ক্রমবর্ধমান চাহিদার তুলনায় অপর্যাপ্ত। তাই আমরা বৃষ্টির জল যা অন্যথায় ভূপৃষ্ঠের ওপর দিয়ে বয়ে গিয়ে নষ্ট হয়ে যেত, তা ধরে রাখা ও সংরক্ষণের একটি স্বস্থায়ী উপায় হিসেবে প্রায় ৫ লক্ষ লিটার ধারণক্ষমতা সম্পন্ন একটি ভূগর্ভস্থ জলাধার নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই জলাধারের মূল উদ্দেশ্য হল বর্ষাকালে বৃষ্টির জল সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা, যাতে গ্রীষ্মের মাসগুলিতে, বিশেষ করে আশ্রমের বাগান রক্ষণাবেক্ষণের কাজে তা ব্যবহার করা যায়।
৫. শিব মন্দির ও যজ্ঞকুণ্ড
কয়েক দশক ধরে, শিব মন্দির এবং এর যজ্ঞকুণ্ড উপাসনা ও আমাদের গুরুগণের সম্মানে আয়োজিত ভক্তিপূর্ণ অনুষ্ঠানের এক পবিত্র কেন্দ্র হয়ে রয়েছে। সময়ের প্রবাহ ও প্রাকৃতিক কারণে এই কাঠামোগুলি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে এবং এই পবিত্র স্থানটির অবিলম্বে সংস্কার প্রয়োজন। সেই অনুযায়ী একটি সংস্কার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রধান বৈশিষ্ট্য ও কাজের পরিধি:
- ছাদ পরিবর্তন — মন্দিরের পবিত্রতা ও সৌন্দর্য বজায় রেখে, পুরোনো অ্যাসবেস্টস-এর ছাদ ও জরাজীর্ণ কাঠামোর পরিবর্তে একটি টেকসই, নিরাপদ এবং নান্দনিকভাবে মানানসই ছাদ তৈরি করা হবে।
- নতুন গ্রানাইট মেঝে স্থাপন — স্থায়িত্ব ও রক্ষণাবেক্ষণের সুবিধা বৃদ্ধি এবং এলাকার সৌন্দর্য বাড়ানোর লক্ষ্যে।
- যজ্ঞকুণ্ড পুনর্নির্মাণ — কাঠামোগত দৃঢ়তা ফিরিয়ে আনা এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও উপাসনার জন্য নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে এটি পুনরায় নির্মাণ করা হবে।
আর্থিক বিবরণ ও সময়সীমা
- মোট আনুমানিক খরচ: ৪ কোটি টাকা
- কাজ শেষ হওয়ার আনুমানিক সময়: ২০২৭-এর শুরুর দিকে
এই দিব্য লক্ষ্য বাস্তবায়নে আপনাদের সহায়তা আমরা সাদরে গ্রহণ করব।
আসুন, আমরা সবাই মিলে এটি গড়ে তুলি
মহাবতার বাবাজির গুহার নিকটবর্তী পবিত্র স্থান এবং গুরুদেবের অত্যন্ত প্রিয় রাঁচি আশ্রম—এই বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা প্রতিটি ঈশ্বরসন্ধানীকে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার সাথে স্বাগত জানাতে চাই এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সাধকদের জন্য এই পবিত্র স্থানগুলিকে সংরক্ষণ করতে চাই।
আপনাদের উদারতা এবং দীর্ঘদিনের নিরন্তর সমর্থনের ফলেই আমরা আমাদের সমস্ত কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি।
কীভাবে সহায়তা করবেন
সর্বোপরি, এই পবিত্র কাজগুলো সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার জন্যে আমরা আপনাদের কাছে প্রার্থনা কামনা করি, আন্তরিক প্রার্থনাই হল যেকোনো নিবেদনের প্রকৃত ভিত্তি।
আপনারা যদি এই পবিত্র উদ্যোগগুলোতে সহায়তা করতে অনুপ্রাণিত বোধ করেন, তবে ওয়াইএসএস-এর দান-সংক্রান্ত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নির্বাচন করে এককালীন অথবা মাসিক দান প্রদান করতে পারেন, নীচের দুটি বিকল্পের মধ্যে একটি নির্বাচন করুন:
আপনি যদি আরও বড় কোনো দান দিতে চান বা কোনো নির্দিষ্ট প্রকল্পে সহায়তা করতে চান, তবে আমরা আপনার সাথে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলতে পারলে আনন্দিত হব। অনুগ্রহ করে ওয়াইএসএস হেল্পডেস্কে ০৬৫১-৬৬৫৫ ৫৫৫ নম্বরে (সোম থেকে শনি, সকাল ৯:৩০ থেকে বিকেল ৪:৩০ পর্যন্ত) যোগাযোগ করুন।
গুরুদেবের আশ্রমসমূহে সেবারত সন্ন্যাসী-সম্প্রদায় ও সেবকবৃন্দের পক্ষ থেকে আমরা আপনার প্রতি আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি এবং আপনার মঙ্গল কামনায় নিত্য প্রার্থনা করছি। আপনার ভালোবাসা ও সহযোগিতায় এই পবিত্র স্থানগুলো আগত সকলের মাঝে গুরুদেবের আলো, প্রেম ও প্রজ্ঞা ছড়িয়ে দিতে থাকবে।
আমাদের মহান গুরুগণের আশীর্বাদ সর্বদা আপনার সাথে থাকুক।
দিব্য সখ্যতায়,
যোগদা সৎসঙ্গ সোসাইটি অফ ইন্ডিয়া



















